ace37 কীভাবে শুরু হয়েছিল?
২০১৯ সালে একদল উদ্যোক্তা একটি সমস্যা লক্ষ্য করেছিলেন – বাংলাদেশের মানুষ অনলাইনে বেটিং করতে চান, কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ইংরেজিতে, পেমেন্ট প্রক্রিয়া জটিল, আর সাপোর্ট পাওয়া কঠিন। সেই সমস্যার সমাধান থেকেই জন্ম হয় ace37-এর।
শুরুতে ছোট্ট একটি টিম নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও আজ ace37 বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল একটাই – বা ংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, সহজ এবং আনন্দদায়ক বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া।
ace37-এর মিশন ও ভিশন
ace37-এর মিশন হলো বাংলাদেশে দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ অনলাইন বেটিং সংস্কৃতি গড়ে তোলা। আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বেটার যখন সঠিক তথ্য ও সঠিক টুলস পান, তখন বেটিং একটি উপভোগ্য বিনোদনে পরিণত হয়। ace37-এর ভিশন হলো ২০২৭ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত বাংলাভাষী বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া।
আমরা প্রতিদিন কাজ করি যাতে আমাদের প্রতিটি সদস্য অনুভব করেন যে ace37 তাঁর নিজের প্ল্যাটফর্ম – যেখানে তিনি নিরাপদ, সম্মানিত এবং সহায়তাপ্রাপ্ত।
আমাদের মূলনীতি
ace37-এ আমরা তিনটি মূলনীতিতে বিশ্বাস করি: স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং দায়িত্বশীলতা। এই তিনটি নীতি আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে।
ace37-এ কেন লক্ষ লক্ষ মানুষ ভরসা করেন?
ace37-এ ভরসার কারণ শুধু ভালো অডস বা বড় বোনাস নয়। মানুষ আমাদের উপর ভরসা করেন কারণ আমরা কখনো তাঁদের টাকা আটকে রাখি না। উইথড্রয়াল রিকোয়েস্ট দেওয়ার ৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে Mobile Banking বা Nagad-এ টাকা পৌঁছে যায়।
এছাড়া ace37-এর কাস্টমার সাপোর্ট সম্পূর্ণ বাংলায় পরিচালিত হয়। যেকোনো সমস্যায় লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলার সুবিধা আমাদের অন্য প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে আলাদা করে তোলে।
দায়িত্বশীল বেটিংয়ে আমাদের প্রতিশ্রুতি
ace37 শুধু ব্যবসা করে না – আমরা দায়িত্বও পালন করি। আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং অফ পিরিয়ডের মতো সুরক্ষা টুলস রয়েছে। ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ ace37-এ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না। আমরা বিশ্বাস করি বেটিং বিনোদনের একটি অংশ হওয়া উচিত, কখনো বোঝা নয়।